এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > একুশে জুলাইয়ের প্রাক সন্ধ্যায় আস্থা ভোটে হারার পাশাপাশি আরো বড় ধাক্কা রাহুল-মমতার?

একুশে জুলাইয়ের প্রাক সন্ধ্যায় আস্থা ভোটে হারার পাশাপাশি আরো বড় ধাক্কা রাহুল-মমতার?

আজ ২১ শে জুলাই – রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের শহীদ দিবস, প্রতিবছরের মতো এবছরও পূর্ণ সমাগমে পালিত হতে চলেছে। যেহেতু এ বছরে শহীদ দিবসের রজতজয়ন্তী তাই জাঁকজমকটা একটু যেন বেশিই। তার উপরে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই হতে চলেছে লোকসভা নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনে দলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে দেখতে চান আপামর তৃণমূলী জনতা। অন্যদিকে তৃণমূল নেত্রী নিজেও চান জাতীয় রাজনীতিতে বড় ভূমিকা নিতে।

বেশ কিছুদিন আগে থেকেই তিনি জাতীয় ক্ষেত্রে বিভিন্ন আঞ্চলিক দলগুলিকে নিয়ে ফেডারেল ফ্রন্ট গঠন করার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। আর এক্ষেত্রে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী তথা তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতির (টিআরএস) শীর্ষনেতা কে চন্দ্রশেখর রাও (কেসিআর) তাঁর বড় ভরসার জন ছিলেন। ফেডারেল ফ্রন্ট গঠনের প্রক্রিয়া যখন শুরু হচ্ছে তখন এই কেসিআরই স্বয়ং নবান্নে এসে তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে যান।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অথচ গতকাল যখন বিরোধীরা নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা নিয়ে এল – তখন টিআরএস তা বয়কট করে সংসদ ভবন থেকে বেরিয়ে গিয়ে সুবিধা করে দিল বিজেপি নেতৃত্ত্বাধীন এনডিএ জোটের। অন্যদিকে, নরেন্দ্র মোদী যখন বলতে উঠলেন – তুলোধোনা করে ছাড়লেন কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধীদের। অথচ আশ্চর্যরকমের সহানুভূতিশীল তিনি কেসিআর সম্পর্কে।

আর তারপর থেকেই জাতীয় রাজনীতিতে জল্পনা – একে তো প্রধানমন্ত্রী প্রমান করে দিলেন বিরোধীদের মধ্যে ঐক্য বলে কিছু নেই – যা তার সরকারকে বিপদে ফেলতে পারে। অন্যদিকে রাহুল-মমতার অন্যতম ভরসা কেসিআরকে নিজের দিকে টেনে নিয়ে বুঝিয়ে দিলেন আগামী লোকসভা নির্বাচনে তাঁর সঙ্গে ভোট পূর্ববর্তী বা পরবর্তী যেকোন রকমের সমঝোতা হওয়া অবাস্তব কিছু নয়।

তার থেকেও বড় কথা – মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিকল্পিত ফেডারেল ফ্রন্ট আসলে ১৫-১৮ টি দলের প্রস্তাবিত জোট। আর এতবড় জোট সরকারে এলে কি পরিনাম হতে পারে – অতীতের উদাহরণ তুলে সেখানেও প্রশ্ন তুলে দিলেন নরেন্দ্র মোদী। আর তাই রাজনৈতিক মহলের ধারণ আগামী নির্বাচনে যদি এনডিএ জোট খুব খারাপ ফল করেও ২০০ এর বেশি আসন পেতে পারে – তাহলে তথাকথিত ফেডারেল ফ্রন্টে ভাঙন ধরানোর প্রচেষ্টা হবেই। আর যদি তা সত্যিই হয় তবে একুশে জুলাইয়ের প্রাক সন্ধ্যায় আস্থা ভোটে হারার পাশাপাশি, তা আরো বড় ধাক্কা রাহুল গান্ধী বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বলেই অভিমত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!