এখন পড়ছেন
হোম > 2019 > May

মুকুলের ডেরায় ১০ তৃণমূল সাংসদ ও সদ্য জেতা সাংসদরা? বাড়ছে জল্পনা

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্ন দুমড়ে-মুচড়ে দিয়ে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে ১৮ টি আসন ছিনিয়ে নিয়েছে গেরুয়া শিবির। আর গেরুয়া শিবিরের এই মেগা-উত্থানের পিছনে অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হলেন মুকুল রায়। বর্তমানে লোকসভা নির্বাচন মিটে যেতেই মুকুল রায় নতুন 'অ্যাসাইনমেন্ট' নিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস দলটাকেই বিপ্লবী বাংলা কংগ্রেসের মত অস্তিত্বহীন করে দিতে। সেই

ক্ষমতা হারানোর ভয়ে ‘থরহরিকম্প’ তৃণমূল নেত্রী এখন আর ‘উন্নয়ন থমকে যাওয়া’ দেখতে পাচ্ছেন না!

সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল নেত্রীর মনের আশ ছিল বাংলায় বিজেপিকে গোল্লা দিয়ে নিজে ৪২ এ ৪২ করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। কিন্তু, বাংলার জনাদেশ দিনের শেষে তৃণমূল নেত্রীকে উপহার দিয়েছে 'গণতন্ত্রের থাপ্পড়'! ৪২ এ ৪২ করা তো দূরে থাক বাংলা থেকে ১৮ টি আসন জিতে নিয়ে বিজেপি এখন তৃণমূলের ঘাড়ের উপর

মোদীর দ্বিতীয় মন্ত্রীসভায় ঠাঁই পেয়ে দেবশ্রী চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া জানলে চমকে যাবেন!

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৪২ এ ৪২ করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নকে চুরমার করে বিজেপি এবার বাংলা থেকে দলীয় রেকর্ড সংখ্যক ১৮ টি আসন জিতে নিয়েছে। ফলে গেরুয়া সমর্থকদের আশা ছিল বাংলা থেকে অন্তত ৪-৫ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্ব পেতে চলেছেন - কিন্তু বিভিন্ন অন্তর্বর্তী রাজনৈতিক কারণে বাংলা থেকে শেষপর্যন্ত কেন্দ্রীয়

তৃণমূলের সোশ্যাল সেলকে ‘আতান্তরে’ ফেলে দল ছাড়লেন হেভিওয়েট নেতা

বর্তমানে রাজনৈতিক যুদ্ধ জিততে গেলে রাস্তায় নেমে প্রচারের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ার যুদ্ধে জেতাটাও জরুরি, তা একবাক্যে মেনে নিচ্ছে তাবড় তাবড় রাজনৈতিক দলগুলি। গেরুয়া শিবিরের এই সোশ্যাল সেল গোটা দেশেই অত্যন্ত সক্রিয় বলে মানেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের যুদ্ধে এই সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব অনুধাবন করে - সেই যুদ্ধে জিততে

দ্বিতীয় মোদী মন্ত্রীসভায় ৫৮ জন মন্ত্রীর কার হাতে কোন দপ্তরের দায়িত্ব দেখে নিন একনজরে

গত ২৩ শে মে বিপুল জয় নিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য কেন্দ্রে ক্ষমতায় ফেরেন নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে এনডিএ জোট। আর গতকাল ছিল সেই মন্ত্রীসভার শপথগ্রহন অনুষ্ঠান। গতকাল রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এই মন্ত্রীসভার ৫৮ জন মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। কিন্তু গতকাল শপথ গ্রহণ হয়ে গেলেও, আজ সকালে অবশেষে হল মন্ত্রীসভার বন্টন।

‘জয় শ্রীরাম’ বলায় মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গ্রেপ্তার ৭, উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি

বাংলায় বিজেপিকে লোকসভা নির্বাচনে 'গোল্লা' দিতে গিয়ে 'গণতন্ত্রের থাপ্পড়' খেয়ে তৃণমূল নেত্রীকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতে হয়েছে বিজেপি বাংলা থেকে দলীয় রেকর্ড সংখ্যক ১৮ জন সাংসদ নিয়ে দিল্লি গেছে। শুধু তাই নয়, সেই 'গেরুয়া সুনামির' দাপটে তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাবার শামিল হয়েছে। মাদার-যুব-ছাত্র সব সংগঠন থেকেই

তৃণমূল যেখানে হেরেছে, বন্ধ হয়েছে পরিষেবা, ব্যবস্থা নিতে মমতাকে চিঠি কংগ্রেস বিধায়কের

কিছুদিন আগেই লোকসভা ভোটে ফল প্রকাশের পর উন্নয়ন করা সত্ত্বেও কেন তারা হারল এই অভিযোগ তুলে বারাসাত লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত একটি গ্রামের পাকা রাস্তা থেকে ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল শাসক দলের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। যে ঘটনায় শাসকের ভূমিকায় সমালোচনার সুর শোনা গিয়েছিল সকলের গলাতেই। আর এবার লোকসভা ভোটের পর বীরভূম জেলার

তৃণমূলের জেলা সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ বিজেপির

লোকসভা নির্বাচন থেকেই রাজ্যের শাসক বনাম বিরোধীর মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে তরজা চলছিল। আর এবার লোকসভা নির্বাচনের সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই ফের উত্তরবঙ্গের তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতার বিরুদ্ধে সরব হল গেরুয়া শিবির। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তীর নাম করে একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয় যে, তিনি রাজবংশী সম্প্রদায়ের

40 কেন, 100 টা বিধায়ক নিয়ে নিন – আমি বুঝিয়ে দেব কত ধানে কত চাল, দাবি মমতার

লোকসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় 42 টি আসনের মধ্যে 42 টি আসনই দখলের স্লোগান দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বাস্তবে ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর তৃণমূল নেত্রীর সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। উল্টে গেরুয়া ঝড়ে এই রাজ্যে 2 টি থেকে বিজেপি তাদের আসন সংখ্যা 18 টি করে নিয়েছে।

অমিত শাহ মন্ত্রীসভায় আসতেই বিজেপির অন্দরে লাখ টাকার প্রশ্ন – জাতীয় সভাপতি কে?

নরেন্দ্র মোদী প্রথমবারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হতেই তৎকালীন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি রাজনাথ সিংকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন নরেন্দ্র মোদীর পছন্দের অমিত শাহ। অমিত শাহকে সর্বভারতীয় সভাপতি করা নিয়ে সেই সময় দলের অন্দরেই কিছু বাধা এলেও, শেষপর্যন্ত নরেন্দ্র মোদির ইচ্ছাতেই সিলমোহর দেয় গেরুয়া শিবির। আর তারপরে একের

Top
error: Content is protected !!