এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > 2019-এ দিল্লী দখল কোন পথে, নির্দেশিকা তৈরি রাহুল গান্ধীর, আসরে কংগ্রেস নেতারা

2019-এ দিল্লী দখল কোন পথে, নির্দেশিকা তৈরি রাহুল গান্ধীর, আসরে কংগ্রেস নেতারা

দরজায় কড়া নাড়ছে লোকসভা ভোট। একা যে নরেন্দ্র মোদী এবং বিজেপিকে কেন্দ্রের ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না তা বেশ ভালোই জানেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী। আবার বেশ কিছু রাজ্যে যে দলগুলোর সাদে তিনি জোট করবেন সেখানকার কংগ্রেস নেতদের আবার তীব্র আপত্তি রয়েছে। এই অবস্থায় মা সোনিয়া গান্ধীর কাছ থেকে দ্বায়িত্ব বুঝে নেওয়া রাহুল গান্ধীর এখন লক্ষ একদিকে যেমন সাংগঠিক দুর্বলতাকে সরিয়ে দলকে চাঙ্গা করা ঠিক তেমনি কেন্দ্রের শাসনক্ষমতা থেকে বিজেপিকে সরানো। এব্যাপারে লোকসভার আগে সমস্ত মোদী বিরোধী দলগুলিকে নিয়ে একসাথে লড়তে চাইলেও কিছু বাধাও রয়েছে। যেমন দিল্লীতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টীর সাথে সমঝোতা করতে নারাজ কংগ্রেস। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত লোকসভায় দিল্লকর সাতটি আসন বিজেপি পেলেও এবার রাজধানীর তিন থেকে চারটি আসন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী হাত শিবিরের নেতারা।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

আর তাই দিল্লীর মতই দেশের প্রতিটা রাজ্যে আগামী লোকসভায় কিভাবে লড়া যায় সে নিয়ে বিভিন্ন প্রদেশের নেতাদের সাথে বৈঠকও শুরু করে দিয়েছেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী। জানা গেছে, রাহুল গান্ধী অঁইজের দলের কাছ থেকে সারা দেশে লোকসভায় 120 থেকে 130 টি আসন চাইছেন। আর সরকার গড়ার জন্যে বাকি 150 আসন শরিকদের সাথে জোট করেই পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী কংগ্রেস যুবরাজ। কিন্তু এখানেও বিস্তর সমস্যা রয়েছে। যেমন পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে তৃনমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলেরই প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরীর মন জুগিয়ে কিরে একসাথে চলা যায় তা ভাবতেও শুরু করে দিয়েছেন তিনি। কারন তৃনমূলের সাথে জোট করলে বিরোধী ভোট ভাগে হবে না, তবে তৃনমূল বিরোধীদের ভোট সরাসরি পড়তে পারে বিজেপিতে। আবার সেক্ষেত্রে কংগ্রেসের অনেকে যোগ দিতে পারে তৃনমূলে। অন্যদিকে এরাজ্যে ক্ষয়িষ্নু দল সিপিএমের সাথে জোট করলে কোনোই লাভ হবে না কংগ্রেসের। তাই ঠিক কি করা যায় সে নিয়ে বাংলায় কংগ্রেসের পর্যবেক্ষককে গৌরব গগৈকে রাজ্যে দলীয় নেতাদের সাথে কথা বলে তা হাইকমান্ডকে জানাতে বলেছেন রাহুল গান্ধী। প্রসঙ্গত 2014 সালে সারা দেশে 464 লোকসভা আসনের মধ্যে মোটে 44 টি আসন এসেছিল কংগ্রেসের ঝুলিতে। এদিকে বাংলায় 42 টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস মোটে 4 টি আসন পায়।কোনোও সংগঠন না থাকায় বিজেপি দুটি আসন ও সিপিএম দুটি আসন পায়। এখানেই কংগ্রেস মনে করছে, 2014 র থেকে এখন মোদীর জনপ্রিয়তা অনেক কমেছে। রাজনৈতিক মহলের ধারনা, কংগ্রেসের শক্তিশালী গড়গুলিতে বিজেপির সাথে লড়াই আর দুর্বল রাজ্যগুলিতে সেখানকার বিজেপি বিরোধীদলগুলির সাথে লড়াই করে 2019 এ কেন্দ্রের ক্ষমতা দখল করতে তৎপর রাহুল গান্ধী। কিন্তু রাহুলের এই প্রস্তাবে মোদী বিরোধী দলগুলো কি আদৌ সম্মতি প্রকাশ করবে? প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!