এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > ২০১৯ এ ঘুরে দাঁড়াতে বড়সড় পরিকল্পনা সিপিআইএম এর,জেনে নিন বিস্তারিত

২০১৯ এ ঘুরে দাঁড়াতে বড়সড় পরিকল্পনা সিপিআইএম এর,জেনে নিন বিস্তারিত

Priyo Bandhu Media

রাজ্যে ৩৪ বছর শাসকদলে থাকা সিপিআইএম এখন বর্তমানে কোনঠাসা। নিশ্চিহ্ন না হলেও সংগঠন বলে আর কিছু অবশিষ্ট নেই বললেই চলে। ২০১১- য় তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এক এক করে দলের সংগঠন ভেঙেছে সিপিআইএম এর। দলের নেতা নেত্রীরা তৃণমূলের হাত ধরেছে। আর যাও বা কিছু বাকি ছিল ২০১৬ র পর একেবারেই সংগঠন ভেঙে পড়েছে। তৃণমূল, বিজেপিতে চলে গেছে দলের বহু নেতা ও কর্মী-সমর্থক।

দলের বর্তমান এই অবস্থায় বড়োই চিন্তায় আলিমুদ্দিন। কিন্তু এই অবস্থায় দলকে অক্সিজেন যুগাচ্ছে রাজস্থান, ছত্তিশগড় ও মধ্যপ্রদেশ তিনরাজ্যে বিজেপির হার। কেননা বর্তমানে রাজ্যে বিজেপি প্রধান দলে পরিণত হওয়ায় সিপিআইএম এর চিন্তা আরো বেড়ে গিয়েছিলো। অস্তিত্ব রাখা হবে তো? কিন্তু এদিন তিন রাজ্যের ফলাফলে ফের আসার এল দেখতে শুরু করেছে বামেরা।

জানা যাচ্ছে তাই দলকে নতুন ভাবে দাঁড় লকরাতে নয়া পদক্ষেপ নিচ্ছে বামেরা, আর তা হলো জনসংযোগের মাধ্যমে নিজেদের শক্তি বাড়াতে সচেষ্ট হয়েছে সিপিআইএম। জানা যাচ্ছে ২০১৯ এর লোকসভা ভোটের আগে যুবনেতৃত্বের হাত ধরেই ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদল।

এদিন বানরহাট চা বাগান বেল্ট-এর একটি সভায় এমনি সুর শোনা গেলো সিপিআইএম-এর যুবনেতা শতরূপ ঘোষের গলায়। এদিন তিনি ম্প্রতি কোচবিহারে বন্ধ চা-বাগান এর কর্মীদের অভাব-অভিযোগ শোনার পাশাপাশি বন্ধ চা বাগান খোলা নিয়ে রাজ্য সরকারকে হুশিয়ারিও দেন ডিওয়াইএফআইয়ের রাজ্য এই কমিটির সদস্য।

সাথেই এদিনটিনি জানান যে, ‘ধর্মঘটের দিন গুন্ডা নামিয়ে বন্ধ দোকান খুলিয়ে অনেক তো বীরত্ব দেখালেন। ক্ষমতা থাকলে উত্তরবঙ্গের বন্ধ চা বাগানগুলো খুলে দেখান। আপনার সে মুরোদ না থাকলে ৮-৯ জানুয়ারী ধর্মঘট হচ্ছেই।’ এছাড়াও এই এলাকায় অন্য যে সমস্ত চাবাগান বন্ধ রয়েছে সেগুলো দ্রুত খোলার জন্য রাজ্যসরকারকে হুঁশিয়ারি দেন শতরূপবাবু।

 

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -
রাজনৈতিকমহলের ধারণা যে, এইভাবেই দলের যুব সম্প্রদায়কে দিয়ে ফের ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদল। যুবদের দিয়েই দলের নেতা কর্মীদের চাঙ্গা করতে চাইছে সিপিআইএম। এখন দেখার এই পদক্ষেপ কতটা কাজ দেয় সিপিআইএম- এর।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!