এখন পড়ছেন
হোম > 2018 > October

সত্যি প্রকাশিত প্রিয় বন্ধুর খবরেই, রাজ্য-রাজনীতিতে নতুন ধারায় চূড়ান্ত সফল শিক্ষক আন্দোলন

গত দুদিন ধরে শহীদ মিনার চত্ত্বরে রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকদের সংগঠন উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন বা ইউইউপিটিডব্লুএর নেতৃত্ত্বে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ প্রাথমিক শিক্ষকদের পিআরটি স্কেলের দাবিতে দুদিন ব্যাপী ধর্ণা ও আন্দোলন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল - যা নিয়ে রীতিমত উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। প্রতিবাদী শিক্ষক মইদুল ইসলামের

ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত ‘সঠিক’ করতে শিক্ষকদের বদলি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

দীর্ঘদিন ধরেই এই ব্যাপারে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। এবারে আর থেমে থাকা নয়, তাই ছাত্র-শিক্ষক সমতা আনতে উদ্যোগী হল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় এক সময় প্রায় 4 হাজার 800 টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল । কিন্তু ঝাড়গ্রাম আলাদা জেলা হিসেবে ভাগ হয়ে

বড় ধাক্কা সরকারি কর্মচারীদের – পে কমিশনের মেয়াদ আবার বেড়ে গেল, জানুন বিস্তারিত

আশঙ্কা ছিলই, আর সেই আশঙ্কাকে সত্যি প্রমান করে আবারো বড়সড় ধাক্কা সরকারি কর্মচারীদের জন্য। ষষ্ঠ পে কমিশনের মেয়াদ যা আগামী ২৬ শে নভেম্বর তিন বছর সম্পূর্ণ করত - তা আরও ৬ মাসের জন্য বর্ধিত করল রাজ্য সরকার। ফলে চূড়ান্ত হতাশা তৈরী হল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে। ইতিমধ্যেই গুঞ্জন শুরু হয়ে

নদিয়ায় শাসকদলের ক্ষমতার ভরকেন্দ্র কি রানাঘাটে স্থানান্তরিত? উঠছে প্রশ্ন

দক্ষিণ দিনাজপুরের পর এবার নদীয়া। একতরফাভাবে জেলার এক জায়গা থেকেই জেলা পরিষদের সভাধিপতি, সহ-সভাপতি ও কর্মাধ্যক্ষ নির্বাচনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় শাসকদলের অন্দরে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সম্প্রতি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছে গঙ্গারামপুর মহাকুমার সদস্যরা। শোনা যাচ্ছে, কর্মাধ্যক্ষ পদেও নির্বাচিত হবেন সেই গঙ্গারামপুরেরই ব্যক্তিরা। যা নিয়ে

আত্মসমর্পনের পুরস্কার- এবার রাজ্য সরকারি চাকরি পাচ্ছেন 36 কেএলও জঙ্গি

ক্ষমতায় এসেই জঙ্গলমহলে মাওবাদী দমনে জঙ্গিদের মূল স্রোতে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সরকারের এই আবেদনে সাড়া দিয়ে অনেক মাওবাদীই এখন মূল স্রোতে ফিরে সরকারের দেওয়া চাকরি করছেন। তবে শুধু জঙ্গলমহলই নয়, একসময়কার কেএলও আন্দোলনের আঁতুড়ঘর কুমারগ্রামেও এই জঙ্গী আন্দোলনকে স্থিমিত করতে উদ্যোগী হয় তৃণমূল সরকার। 2011 সালে

কোন পথে মোদিকে হঠাতে চান বাংলার মানুষ জানতে এবার কলকাতা সফরে হেভিওয়েট নেতা

বাংলায় মোদি বিরোধিতায় প্রধান মুখ তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে শুধু বাংলা নয়, গোটা ভারতবর্ষেও এই নিয়ে রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু যেহেতু সেই তৃণমূলের সঙ্গে জোট করা নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসের কিছুটা আপত্তি রয়েছে তাই এবারে বাংলার মানুষ 2019 সালে ঠিট কিভাবে কেন্দ্রে পরিবর্তন চান তা জানতে

অসম থেকে বিজেপি যাঁদের তাড়াবে, তাঁদের আশ্রয় দেবে বাংলা : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে প্রথম থেকেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের প্রতি ক্ষুব্ধ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বিভাজনের রাজনীতি করে বিজেপি জাতি এবং ধর্মের মধ্যে ভাঙ্গন ধরাচ্ছে বলেও বারবার অভিযোগ করেছেন তিনি। আর তাইতো কদিন আগেই অসমে এই এনআরসির নামে 40 লক্ষ নাগরিককে বিতাড়িত করার যে ফর্মুলা জারি করেছিল কেন্দ্রের বিজেপি সরকার তার বিরোধিতা করে মাঠে

নাগেরবাজার বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন ওঠা শুরু

ঘটনাটি ঘটেছিলো অহিংস আন্দোলনের জনক গান্ধীজীর জন্মদিন ২ অক্টোবরে। তারপর কেটে গেল প্রায় এক মাসের মতো সময়। কিন্তু নাগেরবাজার বিস্ফোরণ কান্ডের রহস্য উন্মোচন হলো না এখনও। যা নিয়ে এখন প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন অনেকেই। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, চলতি মাসের ২ অক্টোবর কলকাতার নাগেরবাজার বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় তিনজনের। হঠাৎই বিস্ফোরণে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে

অবশেষে মারাই গেলেন অর্জুন সিংয়ের গড়ে গুলিবিদ্ধ তৃণমূল নেতা, পুলিশি ধরপাকড় অব্যাহত

শেষ রক্ষা হল না কিছুতেই। অবশেষে দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে মৃত্যু বরণ করতে হলো টিটাগড়ের তৃণমূল কর্মী সতীশ মিশ্রকে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, নিখাদ ভালো মানুষ বলে পরিচিত সতীশ মিশ্র সোমবার তালপুকুর মুচিপাড়া এলাকায় বি টি রোডের কাছে একটি নির্মীয়মান কালী মন্ডপের কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আর সেই সময় দুজন দুষ্কৃতী পায়ে হেঁটে এসে

জিভে লাগাম টানার ব্যাবস্থা করার হুঁশিয়ারি দিলীপ ঘোষকে ,সৌজন্যে তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রী

রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের আচরণে রীতিমতো ক্ষুব্ধ শাসকদল। দিলীপবাবু যদি এবার থেকে সংযত না হন তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁসিয়ারী দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলা সংগঠনের সভাপতি তথা মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। প্রয়োজন পড়লে দলের সঙ্গে আলোচনা করে দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আইনি পথে যাওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। বললেন,''দিলীপ ঘোষ

Top
error: Content is protected !!