এখন পড়ছেন
হোম > 2018 > September (Page 2)

অনুব্রতের সুরে সুর মেলালেন বিজেপি নেতা,জোর শোরগোল রাজ্যে

যাদের বিরুদ্ধে আইন শৃঙ্খলার অবনতির অভিযোগ তুলে প্রতিবাদে বনধ ডেকেছিল বিজেপি,এবার তাঁদের সুরেই সুর মেলাতে দেখা গেল গেরুয়া শিবিরের এক হেভিওয়েট নেতাকে। পুলিশকে বোমা মারার হুমকি দিলেন বিজেপি যুব নেতা শ্যামল রায়। বললেন,গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে তৃণমূল বিপর্যস্ত। অনেক তৃণমূল কর্মী এর জন্য জেলে আটক রয়েছেন। এরপরই তিনি পুলিশকে বোমা মারার নিদান

টিচার-ইন-চার্জের বেতন বন্ধ নিয়ে আদালতের নির্দেশে বড়সড় অস্বস্তিতে রাজ্য-প্রশাসন

শিক্ষিকা বদলিকে কেন্দ্র করে আইনি জটের মুখে বীরভূমের বারহারা হাইস্কুলের টিচার-ইন-চার্জ তথা সহকারী প্রধান শিক্ষক কাঞ্চন অধিকারী। প্রথমে তাঁর বেতন বন্ধের নির্দেশ কার্যকর হলেও পরে সে নির্দেশ খারিজ হয়ে যায়। যুক্তি, যে শিক্ষিকার বদলি না হওয়ার প্রেক্ষিতে বেতন বন্ধের নির্দেশ জারি হয়েছিল তা যথা্যথ নয় বলেই পাল্টা সওয়াল তোলেন মামলাকারীর

এবার মাদ্রাসার দখল নিতেও তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজির অভিযোগ

বর্তমানে প্রায় যে কোনো নির্বাচনেই গোষ্টীদ্বন্দ্ব কাল হিসাবে দেখা গেছে শাসক তৃনমূলের অন্দরে। বুধবার মাদ্রাসার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রতুয়ায় ভগবানপুরে তৃনমূলের দুই গোষ্টীর বিবাদে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হল এলাকায়। জানা যায়, রতুয়া 1 ব্লক তৃনমূল সভাপতি ফজজুল হকের সাথে সেই ব্লকেরই তৃনমূল চেয়ারম্যান মহম্মদ হেশামুদ্দিনের বিবাদ দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি এই ভগবানপুর

শাশ্বত ঘোষ – আপনার সাহসে ভরা দুটি প্রশ্নের উপরে চিরকৃতজ্ঞ থাকবেন আপামর শিক্ষককুল

পোয়েটিক জাস্টিস? নাকি, আশ্চর্য সমাপতন? ঠিক কোন ভাষায় ব্যাখ্যা করব খুঁজে পাচ্ছি না! সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে 'শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চের' অভিভাবকত্বে এক মামলায় বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এক ঐতিহাসিক রায়ে জানিয়ে দিয়েছেন যে, রাজ্যের হাজার হাজার প্রাথমিক শিক্ষকদের দিয়ে ২ মাস ধরে যে ডিও, বিএলও বা সুপারভাইজারের ডিউটি করানো হচ্ছে সেই

পুলিশকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগে এবার জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা মেয়রের বিরুদ্ধে

ইসলামপুরের দাড়িভিটে দুই ছাত্রের মৃত্যু নিয়ে আন্দোলন। আর সেই আন্দোলন কর্মসূচী থেকে পুলিশের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করার অভিযোগে এবার জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা হল বাম পরিচালিত শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র অশোক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত সোমবার ইসলামপুরের ঘটনার প্রতিবাদে শিলিগোড়িতে একটি মিছিল করে বামেরা। অভিযোগ, এই মিছিল থেকে

উত্তর দিনাজপুরে পুরোন ‘ম্যাজিক’ ফেরত আনতে বুথস্তর থেকেই সংগঠন বদলে যাচ্ছে কংগ্রেসের

একদা কংগ্রেস গড় বলেই পরিচিত ছিল উত্তর দিনাজপুর জেলা। প্রয়াত কংগ্রেস নেতা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি খাসতালুকে এখন শুধুই ঘাসফুলের রমরমা। গুটিকয়েক পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং রায়গঞ্জ এবং কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা ছাড়া এই জেলায় কার্যত অস্তিস্তবিহীন কংগ্রেস। কিন্তু আর নয়, শক্ত হাতে জেলায় দলীয় সংগঠনকে চাঙ্গা করতে এবার ময়দানে নামার পরিকল্পনা নিচ্ছে হাত

যেসব অঞ্চলে পঞ্চায়েতে ভরাডুবি, লোকসভার আগে সেখানে শাসকদলের প্রতি আস্থা ফেরাতে নয়া পদক্ষেপ

পুরোনো কর্মীরাই যে দলের সম্পদ নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর তা হারে হারে টের পেল দক্ষিন দিনাজপুরের সদর শহর বালুরঘাটের তৃনমূলের নেতা কর্মীরা। জানা যায়, এই দক্ষিন দেনাজপুর জেলা একসময় তৃনমূলের শক্তঘাঁটি হলেও পুরোনো বনাম নব্যর গন্ডগোলে এখানকার গোষ্টীদ্বন্দ্বের জেরে জয়ে বাধা পেতে হয়েছে শাসকদলকে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগ দিয়ে সেই

পশ্চিমবঙ্গের জোট নিয়ে প্রদেশের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই বড় বার্তা রাহুল গান্ধীর

কদিন আগেই রাজ্যের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে অধীর চৌধুরীকে সরিয়ে সেখানে বসানো হয়েছে সোমেন মিত্রকে। আর এরপর থেকেই বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন শুরু হয় যে, তাহলে কি সারা দেশে মোদী বিরোধীতায় যখন এক পথে হাটছেন রাহুল গান্ধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাই বাংলাতেও সেই এক স্ট্র্যাটেজি ধরে রাখতে তৃনমূলের সাথে জোট করতেই

প্রশাসন সক্রিয় হতেই লক্ষ লক্ষ মৃতের নাম রেশন কার্ড থেকে বাতিল, সংখ্যা বাড়বে আরও

জীবিত নেই। অথচ সেই মৃত ব্যাক্তির নামে রেশন তোলার নজিড় এই বাংলাতে দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে। কিন্তু মৃত ব্যাক্তির নামে রেশন তোলায় আদতে তো ক্ষতি হচ্ছে সরকারেরই। তাই সেই কথা উপলব্ধি করেই তিন মাস আগে এই মৃত ব্যাক্তিদের চিহ্নিতকরনের কাজ শুরু করে খাদ্যদপ্তর। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কোনো ব্যাক্তি মারা গেলে নিয়মমত

স্পেশাল কোর্টে স্পেশাল আবেদন – বড়সড় স্বস্তি মিলতে চলেছে হেভিওয়েট তৃণমূল নেতার?

বিগত বাম সরকারের আমলে সিঙ্গুর হোক বা নন্দীগ্রাম-বিভিন্ন জায়গায় লড়াই করা তৃনমূল নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া কেস গুলি এখনও ঝুলে রয়েছে। 2011 সালে রাজ্যে পালাবদলের পর সেই নেতাদের মধ্যে অনেকেই আজ বিধায়ক এবং মন্ত্রী। তাই এবারে সেই সমস্ত আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেতে চাইছেন তাঁরা। যেমন, সিঙ্গুরের তৎকালীন জমি রক্ষা

Top
error: Content is protected !!