এখন পড়ছেন
হোম > 2018

তৃণমূলের ‘প্যাঁচে’ তৃণমূলেরই ‘ঘুম ওড়াতে’ দিল্লিতে বড়সড় পরিকল্পনায় মুকুল রায় – জানুন বিস্তারিত

রাজ্য রাজনীতিতে ইদানিং দুটি কথা খুব জনপ্রিয় হয়ে গেছে। এক - রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে উন্নয়ন আর দুই, বাংলায় গণতন্ত্র নেই! বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল প্রথম 'রাস্তায় উন্নয়ন দাঁড়ানোর' তত্ত্ব বলেন। যা নিয়ে কম বিতর্ক হয় নি সেই সময়! অনুব্রতবাবু নিজের ব্যাখ্যায় জানিয়েছিলেন -

কেটে গেল দীর্ঘ আট বছর – কেউ কথা রাখে নি! আজও বঞ্চিত মাওবাদীদের হাতে নিহত পরিবারগুলি!

প্রতিশ্রুতি পেলেও দীর্ঘ আট বছর পর আজও বঞ্চিত মাওবাদীদের হাতে নিহত পরিবারগুলি l আতঙ্কে আজও ঘরছাড়া গ্রামের বহু পরিবার l আজ থেকে আট বছর আগে ২০১০ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর বাগবিন্ধা গ্রামের ফরওয়ার্ড ব্লকের একজন পঞ্চায়েত মহিলা প্রধান সহ ৬ জন নেতাকর্মীকে দিনে দুপুরে মাওবাদীরা গুলি করে হত্যা করেছিল। সেই ভয়ে

এরাজ্যে আর কোনও মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের এত সম্মান ও মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার সুযোগ সুবিধা দেননি: চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

লোকসভা নির্বাচনের দিন যতই এগিয়ে আসছে, ততই যেন বিরোধী দল বিজেপি বনাম শাসক দল তৃণমূলের দ্বৈরথ বেড়েই চলেছে বঙ্গ রাজনীতিতে। এবার ফের বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে সরব হলেন রাজ্যের মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী তথা স্বাস্থ্য দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আগামী ১৯ শে

গো-বলয়ের তিন রাজ্যের পাশাপাশি এই রাজ্যেও বড়সড় ধাক্কা বিজেপির, লোকসভার আগে ধুয়ে মুছে সাফ গেরুয়া শিবির!

শিরোমনি আকালি দলের সঙ্গে জোট বেঁধে দীর্ঘদিন পাঞ্জাব নিজেদের দখলে রেখেছিল বিজেপি। কিন্তু, বিগত বিধানসভা নির্বাচনেই ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের নেতৃত্ত্বে পঞ্চনদের তীরের এই রাজ্য দখল করে কংগ্রেস। তবে, কংগ্রেসের সৌজন্যে শুধু বিজেপি বা তার জোটসঙ্গীই নয়, কপাল পোড়ে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টিরও। আর লোকসভা নির্বাচনের আগে, পাঞ্জাব আরও একবার দেখিয়ে

গুন্ডা, মস্তান কিংবা মাতাল না হলেই তাঁকে ফিরিয়ে আনুন : সূর্যকান্ত মিশ্র

2011 সালে ক্ষমতা চলে যাওয়ার পর থেকেই যেন কার্যত দিশেহারা হয়ে গেছে রাজ্যের আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের বাম নেতারা। সাম্প্রতিক কালে যে কয়েকটা নির্বাচনের হয়েছে এই বাংলায়, তার প্রায় সবকটাতেই ভরাডুবি দেখতে হয়েছে তাঁদের। আর এই অবস্থায় ফের বুথ স্তর থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করার দিকে নজর দেওয়ার কথা বলছেন সিপিএমের শীর্ষ নেতৃত্বরা।

রাজ্যের ৭২ লক্ষ মানুষের জন্য নববর্ষের ‘জোড়া-উপহার’ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, জেনে নিন বিস্তারিত

আর কয়েকঘন্টা বাদেই পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরের সূচনা হতে চলেছে। আর এই প্রথম নজিরবিহীনভাবে রাজ্য সরকারের তরফে বর্ষবরণের উদ্যোগ নেওয়া হল। নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, ঠিক রাত ১২ টায় বর্ষবরণের সাইরেন বাজাবে রাজ্য সরকার। তবে, শুধু বর্ষবরণই নয় - ঠিক তার আগে নববর্ষের উপহার

বিধানসভা নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই রাজস্থানে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়ে জয়ের সরণীতে বিজেপি

সম্প্রতি হয়ে যাওয়া বিধানসভা নির্বাচনে গো-বলয়ে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে গেরুয়া শিবির। হাতে থাকা তিন রাজ্য মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশগড় গেছে কংগ্রেসের দখলে। আর এর পরেই কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধীদের দাবি - বিজেপি তথা নরেন্দ্র মোদির 'আচ্ছে দিন' শেষ! তৃণমূল কংগ্রেস তো দাবিই করে বসে - ২০১৯, বিজেপি ফিনিশ! কিন্তু, এই হারে

কর্মচারীদের যুক্তিগ্রাহ্য যেটা পাওয়া উচিত, সেটা মুখ্যমন্ত্রীই দেবেন – তাই রাজ্য সরকারের পাশে থাকুন: শুভেন্দু অধিকারী

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বঞ্চনার প্রতিবাদে দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠছে বিরোধী দলগুলি। এমনকি এই ব্যাপারে বিভিন্ন সময় সভা সমিতি করে সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীকেও চেপে ধরেছে তাঁরা। কিন্তু সামনেই যে লোকসভা ভোট। আর সেই লোকসভা ভোটে যাতে এই সরকারি কর্মচারীরা কোনোরূপ বাধা হয়ে না দাঁড়ায় সে জন্য ফের সেই

রাজ্যসভায় তাত্‍ক্ষণিক তিন তালাক বিল – কি হল শেষ পর্যন্ত? জানুন বিস্তারিত

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের তাত্‍ক্ষণিক তিল তালাক বিল লোকসভায় পাশ হওয়ার পর আজ পেশ হয় রাজ্যসভায়। আর বিল পেশ হতেই তার সংশোধনীর দাবিতে সরব হয় বিরোধীরা। আর বিরোধীদের তুমুল শোরগোলের জেরে - সুষ্ঠুভাবে আলোচনাই হল না এই বিল নিয়ে। যার জেরে আগামী বুধবার পর্যন্ত অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যায়। গত ২৭ শে

গো-বলয়ে বিজেপি ধরাশায়ী হতেই বাংলায় গেরুয়া নেতা-কর্মীরা ঘাসফুলে পা বাড়াচ্ছেন – দাবি শাসকদলের

বিধানসভা নির্বাচনে গো-বলয়ে বিজেপির কোনঠাসা অবস্থার বড়সড় প্রভাব পড়েছে বাংলায় বলে দাবি শাসকদলের। সম্প্রতি, নদীয়ার বিজেপি সংগঠনের ফাটল প্রকাশ্যে এসেছে - বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে পদ্ম চিহ্নে লড়াই করে বেশ কয়েকজন জয়ী প্রার্থী শাসকদলে যোগ দিয়েছেন। এছাড়া কয়েকজন জেলা নেতাও নাকি তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে

Top
error: Content is protected !!