এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > জল্পনা বাড়িয়ে ১৭ টি গুরুত্ত্বপূর্ন পুরসভার নির্বাচন লোকসভার পরেই করতে চলেছে রাজ্য সরকার

জল্পনা বাড়িয়ে ১৭ টি গুরুত্ত্বপূর্ন পুরসভার নির্বাচন লোকসভার পরেই করতে চলেছে রাজ্য সরকার

মেয়াদ শেষের মুখে রাজ্যের ১৭ টি গুরুত্বপূর্ণ পুরসভা। তবে ২০১৯ এর লোকসভা ভোটের আগে পুরসভার ভোট করতে নারাজ রাজ্যসরকার। আলিপুরদুয়ার, মেখলিগঞ্জ, হলদিবাড়ি, ডালখোলা, বালুরঘাট, চাকদহ, কৃষ্ণনগর, পানিহাটি, হাবড়া, ডায়মন্ডহারবার, দুবরাজপুর, বর্ধমান, বহরমপুর, হাওড়া প্রভৃতি পুরসভাগুলোরতে ভোট হওয়ার কথা। এর মধ্যে ১১ টি পুরসভার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে। নির্বাচন করার বদলে সংশ্লিষ্ট পুরসভাগুলোতে প্রশাসক বসানোর নির্দেশ দিয়েছে পুর দপ্তর। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি পুরসভায় সোমবারেই প্রশাসক দায়িত্বে চলে এসেছেন। বাকি পুরসভাগুলোর মেয়াদ নভেম্বর এবং ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। তারপর সেখানেও প্রশাসকদের দায়িত্বে আনা হবে। এরমধ্যে হাওড়া পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা বৃদ্ধি না করে এলাকা পুর্নবিন্যাসের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পুর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে,মুখ্যমন্ত্রী এখন পুরসভা ভোট করতে ইচ্ছুক নন।

ইতিমধ্যেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার অমরেন্দ্র কুমার সিং এর তরফ থেকে চিঠি গিয়েছে রাজ্য সরকারের দপ্তরে। প্রশ্ন, ওই সব মেয়াদ শেষ হওয়া পুরসভা গুলোতে নির্বাচন কবে হবে? এর উত্তর স্পষ্টভাবে না জানালেও অলিখিতভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভোট এখন নেওয়া সম্ভব নয়। লোকসভা ভোট পর্ব সম্পন্ন হওয়ার পর ভাবনা চিন্তা করা হবে পুরসভার ভোট নিয়ে। যতদিন না ভোট হয়,ততদিনের জন্য প্রশাসক দায়িত্বভার গ্রহন করবে পুরসভা গুলোর। এমনটাই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে নবান্ন কর্তাদের তরফ থেকে। উল্লেখ্য, বেশিরভাগ পুরসভায় ভোটের জন্য ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস ও সংরক্ষণের কাজ শেষ করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ওয়ার্ড সংরক্ষণের তালিকা প্রকাশের ১০ সপ্তাহ পরেই যে কোনোদিনই ভোট করা যাবে। তবে এখন ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজ বাকি রয়েছে হাওড়া,বালুরঘাট,কৃষ্ণনগর পুরসভায়। পুজোর পর সে কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো  করুন এই লিঙ্কেখবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক

তবে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, কেন লোকসভা ভোটের আগে পুরসভার ভোট নিয়ে কোনোরকম উচ্চবাচ্য করছে না রাজ্যসরকার? আসলে লোকসভা ভোটের আগে সবরকম বাড়তি ঝামেলা এড়াতে চাইছে শাসকদল। পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাফ দেখা গিয়েছে,বেশ কয়েকটি জায়গায় বিজেপি শাসকদলকে টেক্কা দিয়ে উপরে উঠে গিয়েছে। তাছাড়া পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করেও তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে দফায় দফায়। তাই লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হোক,এমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে চাইছে না শাসক দল। তাছাড়া পুরভোটে যদি কোনো গন্ডোগোল হয়,তার সোজা রিপোর্ট চলে যাবে দিল্লির দরবারে। বিরোধীরা আরো একটা অস্ত্র পেয়ে যাবে শাসকদলের অপপ্রচার চালানোর। এই যাবতীয় সমস্যার সম্ভাবনা এড়াতে পুরসভার ভোট লোকসভা নির্বাচনের আগো করতে চাইছে না শাসকদল। পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এ প্রসঙ্গে তো বলেই দিলেন,’এখন উৎসবের মরশুম চলছে। এই সময় কি ভোট করা যায়?’ আপাতত মেয়াদ শেষ হওয়া পুরসভা গুলোতে প্রশাসক বসানো নিয়ে চূড়ান্ত ব্যস্ততা রয়েছে পুরদপ্তরে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!