এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > 100 দিনের কাজ বিক্রি করে কাজের শতাংশ বেড়ে যাচ্ছে, গরিব মানুষ কাজ পাচ্ছে না! স্বীকার করে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী

100 দিনের কাজ বিক্রি করে কাজের শতাংশ বেড়ে যাচ্ছে, গরিব মানুষ কাজ পাচ্ছে না! স্বীকার করে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী

Priyo Bandhu Media


2011 সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই 100 দিনের কাজে সারা দেশের মধ্যে প্রথম হয়ে এসেছে এই রাজ্য। যা নিয়ে বিভিন্ন সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যের শাসকদলের পক্ষ থেকে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য মেলে ধরা হয়। আর এবার সেই 100 দিনের প্রকল্পে জব কার্ড বিক্রি করার অভিযোগ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সূত্রের খবর, গতকাল নদীয়ার রানাঘাটের ছাতিমতলার এক প্রশাসনিক বৈঠকে 100 দিনের কাজের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চান মুখ্যমন্ত্রী। আর সেই তথ্য দিতে গিয়ে নদীয়া জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয় যে, এই 100 দিনের কাজে এই নদীয়া জেলা 76.62 শতাংশ কাজ করেছে। আর চলতি আর্থিক বছর শেষ হওয়ার আগেই তা 90 শতাংশ করা হবে।

তবে জেলায় 100 দিনের কাজের অগ্রগতি নিয়ে সন্তুষ্ট হলেও এই 100 দিনের কাজ বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে দেওয়ার জন্য গরিব মানুষেরা কাজ পাচ্ছেন না বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।

জেলা প্রশাসনের উদ্দেশ্যে তাঁর নির্দেশ, এই 100 দিনের কাজে যাতে ফড়েরা সক্রিয় না হয় সেদিকে সকলকে নজর রাখতে হবে। তবে শুধু 100 দিনের কাজ নিয়ে সতর্কবার্তাই নয়, এদিন নদীয়া জেলার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে মুসলিম তীর্থ নামের সরকারি প্রকল্পের কাজ কেমন চলছে সেই ব্যাপারেও একটি রিপোর্ট চান মুখ্যমন্ত্রী।

 

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

যার প্রত্যুত্তরে এক আধিকারিক বলেন, “এই শিল্পের সঙ্গে যুক্তদের গুজরাট থেকে চরকা কিনে এনে দেওয়া হচ্ছে।” আর এই কথা শুনে তীব্র ক্ষুব্ধ হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “গুজরাট থেকে কেন! বাংলায় কি চরকা পাওয়া যায় না? এখান থেকে কেনা হলেও তো মানুষের আয় আরও ভালো হবে।” পরে অবশ্য গোটা পরিস্থিতি সামাল দেন রাজ্যের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দপ্তরের সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে এদিনের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে পূর্ত দপ্তরের সচিব অর্ণব রায়কেও সেতু ও রাস্তাঘাট নিয়ে বেশ কিছু নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিকে মায়াপুর ইসকন কর্তৃপক্ষ তাদের জমিতে ফোর্ট সিটি তৈরি করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও সেই ব্যাপারে অনুমতি দেওয়া হলে কোনো সমস্যা হতে পারে কিনা তার জন্য জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের কাছ থেকে জানতে চান রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।

যদিও বা এই ব্যাপারে কোনো সমস্যা নেই বলে জানিয়ে দেন জেলা প্রশাসনের এক কর্তা। সব মিলিয়ে এবার নদীয়া জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে একদিকে 100 দিনের কাজে ফড়েদের দৌরাত্ম্য বন্ধ, আর অন্যদিকে মানুষকে সঠিক পরিষেবা দিতে সরকারি আধিকারিকদের কড়া নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!